ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জুতা পায়ে বেদিতে ওঠার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২৫ নভেম্বর) বেলা ১২টা থেকে ১টার মধ্যে একদল লোককে শহিদ মিনারের মূল বেদির ওপর জুতা পায়ে অবস্থান করতে দেখা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দেশিয় দুই ইলেকট্রনিক কোম্পানির বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা প্রোপাগান্ডা’ ছড়ানোর উদ্দেশেই তারা সেখানে জড়ো হয়েছিল। উপস্থিত লোকজনের বেশিরভাগকেই নেশাগ্রস্ত বা ভাড়াটে মনে হয়েছে বলেও জানান তারা।
একজন গণমাধ্যমকর্মী জুতা পায়ে বেদিতে থাকা ব্যক্তিদের ছবি ও ভিডিও করতে গেলে, সেখানে অবস্থানরত কয়েকজন মিলে তাকে বাধা দেন এবং গালাগাল করেন। এমনকি ভিডিও ধারণ বন্ধ করতে ওই সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, শহিদ মিনারে বিভিন্ন দল-সংগঠন প্রতিবাদ, মানববন্ধন বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে থাকে—এটা স্বাভাবিক। তবে মূল বেদিতে জুতা পায়ে ওঠা কোনোকভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের ভাষায়, এটা শুধু নিয়মভঙ্গ নয়, শহিদদের প্রতি অবমাননা। শহিদ মিনার ভাষা আন্দোলন ও আমাদের জাতিসত্তার প্রতীক।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, সংবেদনশীল স্থানে এমন আচরণ অপরাধের সামিল। ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন :