১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এয়োদশ জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করেছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ১২ মার্চ সংসদের প্রথম দিন পার করেছে। নতুন সরকার সবকিছু গুছিয়ে নিচ্ছে। সরকারের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের বিষয় মনে করা হচ্ছে আর্থিকখাত গতিশীল করা।
এরই মধ্যে এ খাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। পরিবর্তন এসেছে বীমা নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও সাধারণ বীমার চেয়ারম্যান পদে। সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন। ইতোমধ্যে বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান নিয়ে আলোচনা চলছে সর্বএ। ব্যাংকিং সেক্টরে আলোচনা চলছে খুব দ্রুতই সরে যাবেন অগ্রণী, রূপালী ও জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি। ভেঙে দেয়া হতে পারে ব্যাংকগুলোর পর্ষদ।
এ যখন অবস্থা তখন ব্যাংকের অভ্যন্তরে থাকা পতিত স্বৈরাচারের দোসররা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। নিজেদের লোকদের ভালো পদোন্নতি এবং পদায়নে ব্যস্ত হয়ে পডেছে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের এমডি চেয়ারম্যানরা। এদের মধ্যে একধাপ এগিয়ে অগ্রণী ব্যাংক। এ ব্যাংকের এমডি মো. আনোয়ারুল ইসলাম ও চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় নিয়োগ পেয়েছেন জামায়াতি কোটায়। এখন তারা যে কোন সময় চলে যেতে পারেন।
সর্বশেষ বোর্ড মিটিংয়ে জোর গুঞ্জন ছিলো পদত্যাগ করবেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে উল্টো অগ্রণী ব্যাংক রোজার মধ্যে এজিএম ও ডিজিএম পদোন্নতির ভাইবা শুরু করেছে ।
অগ্রণী ব্যাংকের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে এটা করা হচ্ছে এমডির জামাতী কানেকশনের কারণে ব্যাংকের জামাত এবং আওয়ামী লীগের লোকদের পদোন্নতি প্রদান করার জন্য। ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টরা জানান নতুন সরকার এসেছে তারা অবশ্যই সরকারি ব্যাংকগুলোতে পরিবর্তন আনবে। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে পরিবর্তন আসন্ন। এ সময় প্রমোশনের এমন সিদ্বান্ত ব্যাংকটির শীর্ষ পদকে বিতর্কিত করছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ভিত্তিক পদোন্নতি প্রদানের জন্য এখনো বছরের বেশি সময় পডেই আছে। ব্যাংকের বিএনপি পন্থী একটা গ্রুপ এ প্রতিবেদকের কাছে এজিএম ডিজিএম পদোন্নতিতে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও করেছেন। তারা বলছেন অসৎ উদ্দেশ্য আছে বলেই প্রমোশন নিয়ে এত মরিয়া এমডি চেয়ারম্যান।

আপনার মতামত লিখুন :